আজকের পোস্টে আমাদের আলোচনার বিষয় হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কি এবং কিভাবে কাজ করে? বর্তমানে গোটা বিশ্বে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয়। এর মাধ্যমে অনেক কঠিন কাজ অতি সহজে করা যায়।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কি
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) হলো একটি সফটওয়্যার বা সিস্টেম যা মানুষের মতো বুদ্ধিমান ক্ষমতা সম্পন্ন হতে পারে। এর মাধ্যমে কম্পিউটার এবং রোবট সিস্টেম প্রক্রিয়াকরণ, নির্ণয় এবং মান অধিকার করতে পারে যা পূর্বে কেবল মানুষ করতে পারত।
AI বিষয়টি একটি দ্রুতগতি লাভবান এবং প্রগতিশীল বিষয়। এখন পর্যন্ত এর পরিবর্তে প্রযুক্তি এমন সমস্যা সমাধান করে যারা পূর্বে মানুষ করত। উদাহরণস্বরূপ কোন রোবট যেমন চায়না বা যপনেজ রোবটিক পেটের একটি স্থান লাভ করছে, যা বিশেষ করে নির্দেশ না দিয়ে মিলি এবং অন্য খাবার পরিবেশ থেকে বিভিন্ন সাইজ এবং আকারের খাবার পরিষেবা করতে পারে।
AI বিভিন্ন ধরণের হতে পারে যেমন মেশিন লার্নিং, নিউরাল নেটওয়ার্ক, ডিপ লার্নিং, নেচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাবস্থা ইত্যাদি।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কিভাবে কাজ করে?
এরকম বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে, AI এর মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস স্ট্রাটেজি, বিতর্ক সমাধান, ফিনান্স এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে এর ব্যবহার করা হয়।
এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় প্রযুক্তি কোম্পানিসমূহের জন্য, সম্পদ ব্যবসাসমূহের জন্য, স্বাস্থ্যকর্মী সম্প্রসারণের জন্য এবং একটি দেশের জনগণের উন্নয়নের জন্য।
সমস্ত উন্নয়নের মধ্যে মানব বুদ্ধিমানি এখনও প্রধান ভূমিকা পালন করে, তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা কিছু ক্ষেত্রে এর পাশাপাশি চলছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সামাজিক, আর্থিক, চিকিৎসামূলক এবং বিনামূল্যে সেবা প্রদানে সক্ষম হবে এবং আমাদের পৃথিবীকে একটি বেশ কিছু ভাবে পরিবর্তন করে।
এই প্রযুক্তি দ্বারা সমস্ত ব্যক্তি এবং সংস্থার জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়া হবে এবং আমাদের জীবনধারার উন্নয়ন এবং সুধারে নতুন দিক দেখানো হবে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিভিন্ন ধরণের প্রযুক্তিকে সমন্বিত করে তৈরি হয়, যা শিক্ষার মধ্যে সম্প্রসারণ, নির্ণয় গ্রহণ, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, পরিচালনা এবং বিপণনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে কনভার্সেশন সহজ করা হয় এবং নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে রোবোটিক্স ও উন্নয়ন কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা অটোমেশন, ডাটা এনালাইসিস, স্বতন্ত্র নির্ণয় গ্রহণ, প্রতিলিপি লেখা এবং অনুবাদ করার জন্য একটি সমাধান প্রদান করা হয়।
সাম্প্রতিক কিছু উদাহরণ যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হয় সেগুলি হলো স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা স্বয়ংক্রিয় ভাবে কাজ করতে পারে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনের একাধিক ক্ষেত্রে মানবকে সহায়তা করা হয়। এছাড়াও ব্যবসায়িক সেটিংসে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে কাজের পরিসংখ্যান এবং সহজতর নির্ণয় গ্রহণ করা হয়।
এছাড়াও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত একাধিক সমস্যার সমাধান করা হয়। যেমন রোগীদের নির্দিষ্ট চিকিৎসার জন্য রেকমেন্ডেশন দেওয়া, পরিদর্শন সময় নির্ধারণ করা এবং চিকিৎসকদের সহজে ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লেখার সময় সহায়তা করা হয়।
তবে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের সাথে একটি সমস্যা হলো এর সুরক্ষার জন্য সম্ভবত প্রয়োজনীয় ডেটা সংগ্রহে পূর্ববর্তী প্রয়োজন হয়ে যায়।
এছাড়াও, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে স্বাধীন গাড়ি তৈরি করা হয়েছে, যা একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রকল্প হিসেবে পরিচালিত হয়। এটি গত কয়েক বছরে অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যেন পরিবহন সেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতে পারে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আবিষ্কারের সাথে একটি উত্থানও ঘটেছে যা মানুষের কাছে নতুন করে জ্ঞান এবং প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছে। এখানে বিশেষ করে মেশিন লার্নিং, নিউরাল নেটওয়ার্ক এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এসে দাঁড়িয়েছে যা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
সম্প্রতি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার পরিবেশ বিষয়ক উন্নয়নে একটি মুখ্য ভূমিকা রাখছে। পরিবেশ বিষয়ক সমস্যার সমাধানে এটি প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণত নিরাপদ এবং কার্যকরী।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে এখন হাসপাতালে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, পরিষেবা উন্নয়নে ব্যবহার করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়।
একটি বিশেষ উদাহরণ হল রোবোট চিকিৎসা। এটি অস্পষ্ট করে দেওয়া ব্যাধির সমস্যা শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং তারপর সঠিক চিকিৎসা সরবরাহ করতে সাহায্য করে।
তবে, একটি বিশেষ সমস্যা হ’ল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত নয়। এই প্রযুক্তি আদমকৃত জ্ঞান ব্যবহার করতে পারে।
প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তির বিকাশ নিয়ে প্রচলিত মতামতে অনেকে মনে করেন যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হলে নিরাপদতা নিশ্চিত নয়। কিন্তু এটি নিশ্চিত যে আসল মানে এটি স্বচ্ছতা এবং নিরাপদতা বিকাশে সহায়তা করতে পারে।
শেষকথা| আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিরাপদ ব্যবহারের জন্য একটি মৌলিক দিক হ’ল এর সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তির এই ব্যবহার দেখে আমরা বুঝতে পারি যে এর সুবিধার মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হয়, কৃষি উন্নয়ন এবং পরিবেশ বিষয়ক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করা হয়।
সম্পর্কিত প্রযুক্তির বিকাশ চলছে এবং প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে এর সুবিধার বিস্তার করা হচ্ছে।

